বদলি ব্যবস্থা চালুর সহযোগিতা করুন

মোঃ সিরাজুল ইসলাম
মোঃ সিরাজুল ইসলাম,
প্রকাশিত: ০৬:২৩ পিএম, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মোঃ সিরাজুল ইসলাম
মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি ||
সরকার যখনি বদলি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেন তখনি গুটিকয়েক শিক্ষক ও নামধারী শিক্ষক নেতা বা সংগঠন বদলি ব্যবস্থা চালুর বিরোধিতা করে আসছে। তারা তাদের অসাধু কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সরকারের মহতি উদ্যোগ বদলি ব্যবস্থা যাতে চালু হতে না পারে সে জন্য অপচেষ্টা করেন। সরকারের উচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অব্যবস্থাপনা ও সীমাহীন দুর্নীতি রোধে দ্রুত বদলি প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়ন করা। বদলি ব্যবস্থা চালু করতে সরকারের কোনো বাজেট বরাদ্দ বা অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হবে না। কোনো ষড়যন্ত্র যেন বদলি বিষয়ক প্রজ্ঞাপন ও নীতিমালা কার্যকরে সরকারকে বাধা দিতে না পারে এটাই ৫ লক্ষ বেসরকারি শিক্ষকদের কামনা।

আসুন সম্প্রতি নেয়া সরকারের মহতি সিদ্ধান্ত ২০২০ সালের শুরুতে অনলাইন /সফটওয়্যার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য বদলি ব্যবস্থা চালুর জন্য সহযোগিতা ও অনুরোধ করি।আমরা যারা বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছি জাতীয়করণ নিয়ে কাজ করেছি, বিভিন্ন আন্দোলন করছি, জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ। নীতিমালা অনুসারে বদলি ও সরকারের উপস্থিত নীতিগত সিদ্ধান্ত “বদলি” চালু করতে চায়,আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা না করি।বদলি কখনো জাতীয়করণ পিছাইবে না বরং এগুবে। সকল সংগঠনের বদলি প্রত্যাশিত নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের ও সাধারণ শিক্ষক বদলি প্রত্যাশীদের ৬সেপ্টেম্বর প্রেসক্লাবের সামনে বদলির দাবিতে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করেছি। তাতে আপনার সংগঠনের কোন ক্ষতি হবে না।সংগঠন তার নিজ গতিতেই চলবে।এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি বাস্তবায়ন কমিটি হল একটি ঐচ্ছিক দাবি বদলি আদায়ের কমিটি।আলাদা কোন শিক্ষক সংগঠন নয়।এখানে বিভিন্ন সংগঠনের বদলি প্রত্যাশী শিক্ষক ও সাধারণ বদলি প্রত্যাশী শিক্ষকদের সমন্বয় যৌথ কমিটি যা জাতীয়করণ লক্ষে কাজ করা সকল সংগঠনের সহযোগী। নিজে বদলি না হলেও অন্যের দুঃখে সমব্যথী হয়ে দুর থেকেও সমর্থন দেয়া মহৎকর্ম।

ধন্যবাদান্তে,
মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম,
সদস্য সচিব,
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি বাস্তবায়ন কমিটি।

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)